পরীক্ষায় অসদুপায় বা নকল করার জন্য শিক্ষার্থীদের নতুন নতুন পদ্ধতি তৈরির কথা প্রায় সবারই জানা। অনেকেই জানেন, কেউ হাতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় লিখে নেন, কেউ আবার কাগজে করে লিখে আনেন। কিন্তু পরীক্ষায় প্রতারণার নতুন মাধ্যম হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে আর্টিফিশিয়িাল ইনটেলিজেন্স (এআই) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চশমা।
এসব চশমার লেন্সে প্রশ্নের উত্তর ভেসে ওঠে। বিশেষ করে পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোয় এআই চশমা দিয়ে পরীক্ষায় নকলের প্রবণতা বাড়ছে বলে জানা গেছে। শনিবার (২৭ জুন) প্রকাশিত সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, দক্ষিণ কোরিয়ায় ইংরেজি পরীক্ষায় দুই শিক্ষার্থীকে এআই চশমাসহ আটক করা হয়। দেশটিতে এবারই প্রথমবারের মতো এআই চশমা দিয়ে প্রতারণার বিষয় ধরা পড়ে।
এদিকে তাইওয়ানে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় এক পরীক্ষার্থীকে প্রমাণসহ ধরা হয়। ওই শিক্ষার্থী প্রশ্নপত্র হাতে পাওয়ার পর অস্বাভাবিকভাবে চশমা দিয়ে তাকাচ্ছিলেন। বিষয়টি সন্দেহ হওয়ায় পরীক্ষা করে দেখা যায়, তার চশমা থেকে তাপ বের হচ্ছিল।
এ পরিস্থিতিতে গত মাসে চীন কলেজে ভর্তি কার্যক্রমে সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষায় সব ধরনের চশমা পরীক্ষা করা বাধ্যতামূলক করে। কলেজে ভর্তি পরীক্ষায় চলতি বছর মোট এক কোটি পরীক্ষার্থী অংশ নেয়।
এআই চশমা কাজ করে কীভাবে:
বিশ্বে ক্রমশ এআই চশমা উৎপাদন ও বিক্রি বেড়ে চলছে। ২০২৩ সালে সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকের পেরেন্ট কোম্পানি মেটা রে-ব্যান নামে এআই চশমা বাজারজাত করে। তারপর বিভিন্ন মডেলের এআই চশমা বের হয়েছে। তবে শুধু গত বছরই ৭০ লাখ চশমা বিক্রি করেছে মেটা।
এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞরা সতর্কতা দিয়েছেন। তারা জানিয়েছেন, এআই চশমা দিয়ে পরীক্ষায় প্রতারণার বিষয়টি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। এটি আরও অনেক দূর যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যসব ডিভাইসের পরিবর্তে এআই চশমা দিয়ে প্রতারণা করা অনেক সহজ। কেননা, এআই চশমাগুলো বেশ পাতলা থাকে, এসব গোপনীয়তা রক্ষা করে এবং স্মার্টফোন বা ইন্টারনেটের সঙ্গে সংযোগ করে আধুনিক এআই মডেল চালাতে পারে এই চশমা।
হংকংয়ের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক মেং জিল্লি এক বছর আগে এই এআই চশমা নিয়ে গবেষণা চালান। ওই সময় বাজারে সচরাচর পাওয়া যায় এমন এআই চশমা দিয়ে পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেন। তার পরীক্ষায় দেখা যায়―এআই চশমা ব্যবহার করে প্রশ্নপত্রের দিকে তাকালে তা বৃহৎ এআই মডেল ভাষায় প্রশ্নগুলোকে ট্রান্সমিট করে। তারপর প্রশ্নের উত্তর তৈরি করে চশমার লেন্সে উত্তরগুলো প্রদর্শন করে। অর্থাৎ, পরীক্ষায় প্রতারণার জন্য এআই চশমাগুলো কার্যকর প্রযুক্তি।
এ অধ্যাপক ১০০ জন মক পরীক্ষার্থীর ওপর এ পরীক্ষা পরিচালনা করেন। এর মধ্যে যারা এআই চশমা ব্যবহার করে পরীক্ষা দিয়েছেন, তারা সেরা পাঁচে অবস্থান করেছিলেন।
এসব চশমার লেন্সে প্রশ্নের উত্তর ভেসে ওঠে। বিশেষ করে পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোয় এআই চশমা দিয়ে পরীক্ষায় নকলের প্রবণতা বাড়ছে বলে জানা গেছে। শনিবার (২৭ জুন) প্রকাশিত সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, দক্ষিণ কোরিয়ায় ইংরেজি পরীক্ষায় দুই শিক্ষার্থীকে এআই চশমাসহ আটক করা হয়। দেশটিতে এবারই প্রথমবারের মতো এআই চশমা দিয়ে প্রতারণার বিষয় ধরা পড়ে।
এদিকে তাইওয়ানে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় এক পরীক্ষার্থীকে প্রমাণসহ ধরা হয়। ওই শিক্ষার্থী প্রশ্নপত্র হাতে পাওয়ার পর অস্বাভাবিকভাবে চশমা দিয়ে তাকাচ্ছিলেন। বিষয়টি সন্দেহ হওয়ায় পরীক্ষা করে দেখা যায়, তার চশমা থেকে তাপ বের হচ্ছিল।
এ পরিস্থিতিতে গত মাসে চীন কলেজে ভর্তি কার্যক্রমে সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষায় সব ধরনের চশমা পরীক্ষা করা বাধ্যতামূলক করে। কলেজে ভর্তি পরীক্ষায় চলতি বছর মোট এক কোটি পরীক্ষার্থী অংশ নেয়।
এআই চশমা কাজ করে কীভাবে:
বিশ্বে ক্রমশ এআই চশমা উৎপাদন ও বিক্রি বেড়ে চলছে। ২০২৩ সালে সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকের পেরেন্ট কোম্পানি মেটা রে-ব্যান নামে এআই চশমা বাজারজাত করে। তারপর বিভিন্ন মডেলের এআই চশমা বের হয়েছে। তবে শুধু গত বছরই ৭০ লাখ চশমা বিক্রি করেছে মেটা।
এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞরা সতর্কতা দিয়েছেন। তারা জানিয়েছেন, এআই চশমা দিয়ে পরীক্ষায় প্রতারণার বিষয়টি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। এটি আরও অনেক দূর যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যসব ডিভাইসের পরিবর্তে এআই চশমা দিয়ে প্রতারণা করা অনেক সহজ। কেননা, এআই চশমাগুলো বেশ পাতলা থাকে, এসব গোপনীয়তা রক্ষা করে এবং স্মার্টফোন বা ইন্টারনেটের সঙ্গে সংযোগ করে আধুনিক এআই মডেল চালাতে পারে এই চশমা।
হংকংয়ের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক মেং জিল্লি এক বছর আগে এই এআই চশমা নিয়ে গবেষণা চালান। ওই সময় বাজারে সচরাচর পাওয়া যায় এমন এআই চশমা দিয়ে পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেন। তার পরীক্ষায় দেখা যায়―এআই চশমা ব্যবহার করে প্রশ্নপত্রের দিকে তাকালে তা বৃহৎ এআই মডেল ভাষায় প্রশ্নগুলোকে ট্রান্সমিট করে। তারপর প্রশ্নের উত্তর তৈরি করে চশমার লেন্সে উত্তরগুলো প্রদর্শন করে। অর্থাৎ, পরীক্ষায় প্রতারণার জন্য এআই চশমাগুলো কার্যকর প্রযুক্তি।
এ অধ্যাপক ১০০ জন মক পরীক্ষার্থীর ওপর এ পরীক্ষা পরিচালনা করেন। এর মধ্যে যারা এআই চশমা ব্যবহার করে পরীক্ষা দিয়েছেন, তারা সেরা পাঁচে অবস্থান করেছিলেন।
