সর্বশেষ

বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬

দ্বিতীয় বিয়ে করায় স্বামীকে ৬ টুকরো করে হত্যা

দ্বিতীয় বিয়ে করায় স্বামীকে ৬ টুকরো করে হত্যা


ঢাকার মহাখালী এলাকায় দ্বিতীয় বিয়ে করায় স্বামীকে হত্যা করে মরদেহ ছয় টুকরো করার ঘটনায় স্ত্রী ফাতেমা বেগম ওরফে শিল্পীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ঢাকার ১৬ তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ নাজমুন নাহার নিপু এ রায় দেন।

রায়ে মরদেহ গুমের দায়ে ৭ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম সাজা দেয়া হয়েছে তাকে। এ তথ্য জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর খন্দকার শফি নেওয়াজ নাসির।


রায় ঘোষণার সময় ফাতেমাকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে আবার কারাগারে পাঠানো হয়।


মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, ২০২১ সালের ৩০ মে রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ রোডের আমতলী এলাকায় নীল রঙের ড্রামের মধ্যে বনানী থানা-পুলিশ একজন পুরুষ ব্যক্তির মাথাবিহীন দেহ উদ্ধার করে। একই দিন রাত ১১টার পর মহাখালী বাস টার্মিনালের এনা কাউন্টারের কাছে একটি ব্যাগের মধ্যে উরু থেকে খণ্ডিত দু’টি পা এবং কাঁধ থেকে খণ্ডিত দু’টি হাতের অংশ উদ্ধার করে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা-পুলিশ। 

দুই দিনে আলাদা আলাদা স্থান থেকে লাশের ছয় টুকরো উদ্ধার করা হয়।

এরপর মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয় ফাতেমাকে। গ্রেপ্তারের পর ফাতেমা হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন।

ফাতেমা পুলিশকে জানান, পারিবারিক কলহ, টাকা-পয়সা বন্টন ও একাধিক বিয়েকে কেন্দ্র করে ময়না মিয়া ওরফে শাকিলের সঙ্গে তার মনোমালিন্য হয়। একপর্যায়ে ফাতেমা পরিকল্পনা করে তার অটোরিকশা চালক স্বামীকে ঘুমের ট্যাবলেট খাইয়ে নিস্তেজ করেন এবং পরে জবাই করে লাশ ছয় টুকরো করেন। একটি লাল রঙের কাপড়ের ব্যাগে মাথা, শরীরের মূল অংশকে একটি নীল রঙের পানির ড্রামে এবং খণ্ডিত দুই পা ও দুই হাতকে একটি বড় কাপড়ের ব্যাগে ঢুকিয়ে রাখেন ফাতেমা। এরপর ১ হাজার ৩০০  টাকায় রিকশা ভাড়া করে প্রথমে আমতলী এলাকায় শরীরের মূল অংশ ফেলে দেন। পরে মহাখালী এনা বাস কাউন্টারের সামনে খণ্ডিত দুই হাত, দুই পা ভর্তি ব্যাগ রেখে  চলে যান বাসায়। সেখান থেকে খণ্ডিত মাথা রাখা ব্যাগটি নিয়ে বনানী ১১ নম্বর ব্রিজের পূর্ব পাশ থেকে গুলশান লেকে ফেলে দিয়ে বাসায় আসেন।

এ ঘটনায় ময়না মিয়ার দ্বিতীয় স্ত্রী নাসরিন তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় একই বছরের  ১ জুন মামলা দায়ের করেন। ২০২২ সালের ২৪ অক্টোবর ফাতেমাকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। ২০২৩ সালের ১২ মার্চ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন আদালত। মামলার বিচার চলাকালে আদালতে ২৬ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৭ জন সাক্ষী সাক্ষ্য প্রদান করেন।

আর্জেন্টিনা সমর্থককে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর মরদেহ বালুচাপা ব্রাজিল সমর্থকদের

আর্জেন্টিনা সমর্থককে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর মরদেহ বালুচাপা ব্রাজিল সমর্থকদের

 


সাভারের আশুলিয়ায় ব্রাজিল-জাপান ফুটবল ম্যাচকে কেন্দ্র করে সমর্থকদের মধ্যে বিরোধের জেরে নাহিদ হাসান (১৫) নামে এক কিশোরকে ছুরিকাঘাত করে হত্যার পর বালুচাপা দিয়ে মরদেহ গোপনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে নিহতের পরিবার।

গতকাল বুধবার (১ জুলাই) রাতে আশুলিয়া থানায় অভিযুক্ত হামজাকে হাজির করেন নিহতের স্বজনরা। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাত ১২টার দিকে আশুলিয়ার সাধুপাড়া এলাকার গরুর হাটের বালুচর খুঁড়ে নিহত নাহিদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত নাহিদ হাসান লালমনিরহাটের বড়বাড়ী-পঞ্চগ্রাম এলাকার মোস্তাকের ছেলে। সে বাবার সঙ্গে আশুলিয়ার সাধুপাড়ায় বেড়াতে এসে হত্যার শিকার হয়।

পরিবারের অভিযোগ, ব্রাজিল-জাপান ফুটবল খেলা নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আর্জেন্টিনা সমর্থক নাহিদকে কৌশলে ডেকে নিয়ে যায় ব্রাজিল সমর্থক হামজা, রাকিব, মেহেদী ও সিয়াম। পরে তারা নাহিদকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে এবং মরদেহ গুম করার উদ্দেশে আশুলিয়ার বালুচরে বালুর নিচে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। > Babon: নিহতের বাবা মোস্তাক বলেন, আমার ছেলেকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমি আমার ছেলের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক ও কঠোর শাস্তি চাই।

এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, ব্রাজিল-জাপান ফুটবল ম্যাচকে কেন্দ্র করে সমর্থকদের মধ্যে বিরোধের জেরে আর্জেন্টিনার সমর্থককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে ব্রাজিল সমর্থকরা। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত হামজার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে। 

বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬

গাঁ/জা জব্দ করে বিক্রির অভিযোগে ওসিকে প্রত্যাহার

গাঁ/জা জব্দ করে বিক্রির অভিযোগে ওসিকে প্রত্যাহার


কুমিল্লার দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল বারীকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার কুমিল্লার পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামানের সই করা এক আদেশে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দাউদকান্দি মডেল থানার দুই উপপরিদর্শকের (এসআই) বিরুদ্ধে ১৬০ কেজি গাঁজা জব্দ করে তা বিক্রির অভিযোগ ওঠে। গত সোমবার সন্ধ্যায় বিষয়টি স্থানীয়ভাবে জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।
এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল সন্ধ্যায় দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি মো. আবদুল বারীকে কুমিল্লা পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করে সংযুক্ত করা হয়।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওসি আবদুল বারী। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, একটি পত্রিকায় প্রকাশিত মিথ্যা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তাঁর বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছেন।
ওসি আবদুল বারী দাবি করেন, দাউদকান্দি মডেল থানায় এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। তিনি বলেন, ‘যদি অভিযোগ প্রমাণিত হয়, প্রয়োজনে চাকরি ছেড়ে দেব। কিন্তু অপবাদ নিয়ে কর্মস্থল ছাড়ছি না।’ তাঁর অভিযোগ, ব্যক্তিগত বিদ্বেষ থেকে একটি পত্রিকায় তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।
কালিহাতীতে ওয়ালটনের উদ্যোগে আর্থিক সুবিধা হস্তান্তর

কালিহাতীতে ওয়ালটনের উদ্যোগে আর্থিক সুবিধা হস্তান্তর

সাইদুর রহমান সমীর, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:
টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ওয়ালটনের উদ্যোগে মৃত ক্রেতাদের মাঝে আর্থিক সুবিধা হস্তান্তর।এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোকডহরা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান নরুল  ইসলাম এর সভাপতিত্বে 
বক্তব্য রাখেন, ডিভিশন ২ সম্মানিত চিফ ডিভিশনাল অফিসার মোঃ শাহাদাৎ হোসেন, সম্মানিত ডিভিশনাল ক্রডিট অফিসার মোঃ ওবায়দুর রহমান, ওয়ালট প্লাজা কালিহাতির ম্যানেজার মোহাম্মাদ আবুল হাসান। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, ওয়ালটন প্লাজা কালিহাতির ফ্লোর ইনচার্জ  ইকবাল হোসাইন।
কোকভহারা বাজারে ১(জুলাই)সকাল ১১টায় উক্ত অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় , অনুষ্ঠানে মৃত ক্রেতা পারিবারকে আর্থিক সুবিধা সুরক্ষা হস্তান্তর করেন,মৃত আসাদুল জামানের স্ত্রী নমিনী মোছাঃ তাসমিদাকে ১ লাখ টাকা অর্থ প্রদান করেন ।
অনুষ্ঠানটি আয়োজন করেন ওয়ালটন প্লাজা কালিহাতী শাখা

মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে ভাতিজাকে হত্যার দায়ে চাচা মো. নূরনবীকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে ভাতিজাকে হত্যার দায়ে চাচা মো. নূরনবীকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।


মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আ ন ম ইলিয়াস এই রায় দেন। দণ্ডিত নূরনবী গোপালপুরের নবধূলটিয়া গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় নূরনবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন।


নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি ওমরাও খান দিপু জানান, ২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর মুক্তিপণের দাবিতে গোপালপুরের নাসির উদ্দিনের নাতি কেএম রাহেনুল ইসলাম আরাফকে কয়েকজনের সহযোগিতায় অপহরণ করেন চাচা নূরনবী। এ ঘটনায় ১১ অক্টোবর নাসির উদ্দিন গোপালপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। পরের দিন কালিয়াকৈর এলাকা থেকে কেএম রাহেনুল ইসলাম আরাফের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। গত বছরের ২৭ মে গোপালপুর থানার এসআই মামুন ভূঞা নূরনবীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। সমস্ত সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে মঙ্গলবার এই রায় ঘোষণা করেন বিচারক।
এইচএসসি শুরু বৃহস্পতিবার, থাকবে সব কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা

এইচএসসি শুরু বৃহস্পতিবার, থাকবে সব কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা



চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই)। প্রথমদিনে দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। মাদরাসা বোর্ডের অধীনে আলিমে কোরআন মাজিদ এবং কারিগরি বোর্ডে এইচএসসির (বিএমটি) বাংলা-২ বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হবে। সব বোর্ডে সকাল ১০টা থেকে পরীক্ষা শুরু হয়ে চলবে দুপুর ১টা পর্যন্ত। তবে পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই ৩০ মিনিট আগেই কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে

এ বছর নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে ১১টি শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষায় অংশ নিতে ফরম পূরণ করেছেন ১২ লাখ ৬৭ হাজার ৪৮৬ জন পরীক্ষার্থী। সারা দেশের দুই হাজার ৬৯৭টি পরীক্ষা কেন্দ্রে তারা পরীক্ষায় অংশ নেবেন।

বোর্ডভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী ঢাকা বোর্ডে। এ বোর্ডে ৩১০টি কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষা দেবেন তিন লাখ ৩৯৩ জন। রাজশাহী বোর্ডে ২০৮টি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী এক লাখ ৪০ হাজার ৮৩০ জন, দিনাজপুরে ২১২টি কেন্দ্রে এক লাখ ১৩ হাজার ৪৭৯ জন, যশোর বোর্ডে ২৪০টি পরীক্ষা কেন্দ্রে এক লাখ ১৭ হাজার ২১০ জন।
চট্টগ্রামের ১১৪টি কেন্দ্রে এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৯৯ হাজার ৬৮৮ জন, সিলেটের ৯৬টি কেন্দ্রে ৭১ হাজার ৭১১ জন, কুমিল্লার ১৯৩টি কেন্দ্রে ৯৪ হাজার ৮০২ জন, ময়মনসিংহের ১১১টি কেন্দ্রে ৭৩ হাজার ৩৭ জন এবং বরিশালের ১৪২টি পরীক্ষা কেন্দ্রে ৫৮ হাজার ৬৬৪ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে।

এছাড়া বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এ বছর সারা দেশে ৪৬১টি পরীক্ষা কেন্দ্রে মোট ৯২ হাজার ৯০৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেবেন। আর কারিগরি বোর্ডের অধীনে ৬১০টি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা এক লাখ সাত হাজার ৯৬৪ জন।
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে কেন্দ্র পরিচালনা, প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা, পরীক্ষার্থী প্রবেশ, কক্ষ ব্যবস্থাপনা থেকে শুরু করে ডিজিটাল নজরদারিসহ সব বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা বোর্ডগুলো।

> Babon: নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতিটি পরীক্ষার কক্ষে প্রতি ২০ জন পরীক্ষার্থীর জন্য একজন করে কক্ষ পরিদর্শক থাকবে। কোনো কক্ষে দুজনের কম দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। বসার ক্ষেত্রেও নির্ধারণ করা হয়েছে নির্দিষ্ট মানদণ্ড। ৫ বাই ৬ ফুট দীর্ঘ বেঞ্চে দুজন এবং ৪ ফুট বেঞ্চে একজন পরীক্ষার্থী বসতে পারবেন।

পরীক্ষার্থীরা সকাল সাড়ে ৮টা থেকে কেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করতে পারবেন। তবে পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে সবাইকে নির্ধারিত কক্ষে প্রবেশ নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ পরিস্থিতিতে দেরিতে আসা শিক্ষার্থীদের তথ্য রেজিস্টারে সংরক্ষণ করে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া যাবে।

প্রশ্নপত্র ব্যবস্থাপনাতেও রাখা হয়েছে একাধিক নিরাপত্তা স্তর। পরীক্ষা শুরুর তিনদিন আগে ট্রেজারি বা থানা লকারে সংরক্ষিত প্রশ্নপত্র সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে যাচাই করতে হবে।

পরীক্ষার দিন নির্ধারিত প্রশ্নপত্র ট্যাগ অফিসার ও পুলিশের প্রহরায় কেন্দ্রে আনা হবে এবং মোবাইলের মাধ্যমে নির্ধারিত সেট কোড পাওয়ার পরই প্রশ্নপত্র খোলা যাবে। নির্ধারিত সেটের বাইরে পরীক্ষা নেওয়া হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। > Babon: পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারিও এবার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সব কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা চালু রাখতে হবে এবং ক্যামেরার আইডি, পাসওয়ার্ড, ব্র্যান্ড, ডিভাইস সিরিয়াল নম্বর ও ডিভিআর/এনভিআর সংযোগের তথ্য শিক্ষা বোর্ডে জমা দিতে বলা হয়েছে।

সার্বক্ষণিক ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করে কেন্দ্রগুলোর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হবে। কোনো কেন্দ্রে সিসিটিভি অকার্যকর থাকলে বা নিরাপত্তা ব্যবস্থায় শৈথিল্য ধরা পড়লে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ফোন বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না। পরীক্ষার্থীরাও কাঁটাযুক্ত ঘড়ি ছাড়া অন্য কোনো ডিভাইস বহন করতে পারবে না।

পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্রে অপ্রয়োজনীয় উপস্থিতি বন্ধ রাখা, টয়লেট তল্লাশি, প্রশ্ন ও উত্তরপত্র পরিবহনে পুলিশের সম্পৃক্ততা এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র আলাদাভাবে সংরক্ষণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। > Babon: এইচএসসি পরীক্ষা ঘিরে সার্বিক সমন্বয় ও জরুরি যোগাযোগের জন্য ঢাকা শিক্ষা বোর্ড বিশেষ কন্ট্রোল রুম চালু করেছে। কন্ট্রোল রুমের টেলিফোন নম্বর- ০২-২২৩৩৬৯৮১৫। 

সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬

ইরানের যুগান্তকারী আবিষ্কার : মানব নিউরন দিয়ে "তৈরি কৃত্রিম মস্তিষ্ক "

ইরানের যুগান্তকারী আবিষ্কার : মানব নিউরন দিয়ে "তৈরি কৃত্রিম মস্তিষ্ক "

জীবন্ত মানব নিউরন ব্যবহার করে গবেষণাগারের পরিসরে একটি কৃত্রিম মস্তিষ্ক তৈরি করেছে ইরান। এই নিউরনগুলো এমন সব স্নায়বিক নেটওয়ার্ক গঠন করে, যা শেখার সক্ষমতা রাখে। এর মাধ্যমে 'অর্গানয়েড ইন্টেলিজেন্স' প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বিশ্বজুড়ে যে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে, সেখানে ইরানও যুক্ত হলো বলে জানিয়েছেন দেশটির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

ইরানের কগনিটিভ সায়েন্সেস অ্যান্ড টেকনোলজিস ডেভেলপমেন্ট টাস্কফোর্সের সেক্রেটারি আতাউল্লাহ পুর-আব্বাসি বার্তা সংস্থা মেহের-কে বলেন, মানবদেহের বাইরে স্নায়ুকোষ (নিউরন) বৃদ্ধি করার প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ইরান অর্জন করেছে। এসব কোষ একে অপরের সঙ্গে সিন্যাপস তৈরি করে এবং মস্তিষ্কের মতোই শেখার সক্ষমতাসম্পন্ন নিউরাল নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে পারে।

তিনি বলেন, ‘মস্তিষ্কের কোষভিত্তিক কম্পিউটার প্রসেসর তৈরির ভিত্তি এটিই’। তার দাবি, একটি দেশীয় জ্ঞানভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে এ প্রযুক্তির পরীক্ষামূলক একটি প্রোটোটাইপ তৈরি করেছে।

পুর-আব্বাসির মতে, এই প্রযুক্তির দুটি বড় সুবিধা রয়েছে। প্রথমত, এটি তথ্য প্রক্রিয়াকরণের গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াতে পারে। দ্বিতীয়ত, কম্পিউটারে ব্যবহৃত প্রচলিত সিলিকন চিপের তুলনায় এর শক্তি বা বিদ্যুৎ ব্যবহারের হার প্রায় ১০ লাখ গুণ কম।

তিনি আরও বলেন, ‘এই দুই সুবিধার কারণে কোষভিত্তিক প্রসেসরের দিকে অগ্রসর হওয়া এখন বৈশ্বিক প্রয়োজন ও অগ্রাধিকারে পরিণত হয়েছে।’

যদিও প্রযুক্তিটি এখনো বাণিজ্যিক ব্যবহারের পর্যায়ে পৌঁছায়নি, তবু শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত জ্ঞান দেশীয়ভাবেই অর্জন করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

পুর-আব্বাসি বলেন, ‘এই প্রযুক্তিগত সক্ষমতা অর্জনের ক্ষেত্রে বিশ্বের অগ্রণী দেশগুলোর সঙ্গে তাল মিলিয়েই এগোচ্ছে ইরান।’

‘অর্গানয়েড ইন্টেলিজেন্স’ বা জৈবভিত্তিক কম্পিউটিং এমন একটি উদীয়মান প্রযুক্তি, যেখানে জীবন্ত মানব নিউরন ব্যবহার করে এমন কম্পিউটিং ব্যবস্থা তৈরি করা হয়, যা অত্যন্ত কম শক্তি খরচে মানুষের মস্তিষ্কের মতো সমান্তরালভাবে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করতে সক্ষম।