সর্বশেষ

বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬

সিগন্যাল দিতেই গাড়ি ফেলে পালাল চালক, প্রাইভেটকারে মিলল ৫ বস্তা গাঁজা

সিগন্যাল দিতেই গাড়ি ফেলে পালাল চালক, প্রাইভেটকারে মিলল ৫ বস্তা গাঁজা

 



রাজধানীর বাড্ডা থানার ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় ট্রাফিক পুলিশের সিগন্যাল উপেক্ষা করে পালানোর চেষ্টা করতে গিয়ে প্রাইভেটকার ফেলে দৌড়ে পালিয়েছেন এক চালক। পরে গাড়ির ব্যাগডালা (ডিকি) তল্লাশি করে পাঁচটি বস্তায় থাকা প্রায় ১০০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার (৮ জুলাই) সকালে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি দুপুরে নিশ্চিত করেন দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট দেবু বড়ুয়া।

তিনি জানান, সকাল প্রায় ১০টার দিকে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে দিয়ে একটি নিশান মডেলের প্রাইভেটকার (ঢাকা মেট্রো-ঘ-১১-৫৩১৭) বেপরোয়া গতিতে চলাচল করছিল। সন্দেহজনক মনে হওয়ায় গাড়িটিকে থামার সংকেত দেন ট্রাফিক পুলিশ। সংকেত পেয়ে চালক গাড়ি থামালেও মুহূর্তের মধ্যে সেটি ফেলে দৌড়ে পালিয়ে যান। পরে গাড়ির ডিকি তল্লাশি করে পাঁচটি সাদা বস্তা উদ্ধার করা হয়। বস্তাগুলো খুলে দেখা যায়, সেগুলোতে মোট প্রায় ১০০ কেজি গাঁজা রয়েছে।

চালক পালিয়ে যাওয়ায় তাকে তাৎক্ষণিকভাবে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে উদ্ধার হওয়া গাঁজা এবং প্রাইভেটকারটি পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বাড্ডা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬

ফিফা প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি

ফিফা প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি

 


আন্তর্জাতিক ফুটবল খেলায় পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি উঠেছে। তদন্তের দাবি তুলেছে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট।
মঙ্গলবার (৮ জুলাই) বিশ্বকাপ ফুটবল খেলায় ফিফা প্রেসিডেন্টের ভূমিকা খতিয়ে দেখার জন্য বিশেষ তৎপরতা শুরু করেছেন ইউরোপীয় পার্লামেন্টের একদল আইনপ্রণেতা। তারা ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত ২৭টি দেশের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন।

চিঠিতে আহ্বান জানানো হয়েছে, ফিফার এই পক্ষপাতমূলক আচরণের বিরুদ্ধে যেন সবাই একজোট হয়ে আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ নেয়। ইউরোপীয় নীতি নির্ধারকদের মতে, বিশ্বকাপ ফুটবলের স্বচ্ছতা ও সততা ধরে রাখতে ইউরোপের দেশগুলোর এখনই হস্তক্ষেপ করার এবং বালোগান মামলার সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়া নিয়ে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি তোলার উপযুক্ত সময়।
 
ঘটনার সূত্রপাত গত সপ্তাহে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার ম্যাচ। ওই খেলায় বালোগান সরাসরি লাল কার্ড পেয়েছিলেন। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ লাল কার্ডকে ‌‌‌‘অন্যায়’ বলে দাবি করেন। এরপরই ফিফা এক অদ্ভুত আইনি ফাঁকফোকর ব্যবহার করে বালোগানের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করে।
 
শোনা যাচ্ছে, ট্রাম্প এ বিষয়ে ফিফা প্রেসিডেন্ট ইনফান্তিনোকে ফোন করেন।  ‘একটি বিশাল অন্যায়ের অবসান ঘটানোর জন্য’ তাকে ধন্যবাদও জানান। ঘটনাটি ফিফা নিয়ে গভীর সন্দেহের জন্ম দিয়েছে।

ফিফার এই নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত ইউরোপজুড়ে তীব্র ক্ষোভের আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে। ইউরোপীয় ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা উয়েফা এই ঘটনাকে কড়া ভাষায় সমালোচনা করে বলেছে, ‘এটি একটি নজিরবিহীন, অবিশ্বাস্য এবং সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য ঘটনা।
 
প্রসঙ্গত, ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬- এর একাধিক ম্যাচে ফিফা, এর কর্তৃপক্ষ রেফারি বিতর্কে জড়িয়েছে। সেসব অভিযোগসহ খেলার ফলাফলে রাজনৈতিক চাপ, স্পন্সর ইস্যু ইত্যাদি বিষয় খতিয়ে দেখবে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট।

সংঘবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে তিন জনের যাবজ্জীবন

সংঘবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে তিন জনের যাবজ্জীবন


টাঙ্গাইলে এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।


মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক ও জেলা জজ আ.ন.ম. ইলিয়াস এ রায় ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. ওমরাও খান দিলু জানান, ২০২৩ সালের ২২ জুন বিয়ের পাত্রী দেখানোর প্রলোভন দেখিয়ে ভুক্তভোগীকে জামালপুর থেকে টাঙ্গাইলের মধুপুরের দুখোলা বনাঞ্চলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রথমে এক আসামি এবং পরে অপর দুই আসামি তাকে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় মধুপুর থানায় মামলা করার পর তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। 

তিনি আরও জানান, বিচার শেষে আদালত প্রধান আসামি আ. রহিমকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৭ ধারায় ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং একই আইনের ৯(৩) ধারায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেন। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে অতিরিক্ত কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

এছাড়াও অপর দুই আসামি শফিকুল ইসলাম শফি ও সামছুল হক সামছুকে একই আইনের ৯(৩) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে প্রত্যেককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত।

আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. শাহানশাহ সিদ্দিকী মিন্টু। 
ইয়াবাসক্ত ছেলের পিটুনিতে বাবা নিহত

ইয়াবাসক্ত ছেলের পিটুনিতে বাবা নিহত

 


ওগাঁয় মাদকাসক্ত ছেলের মারপিট ও ইটের আঘাতে মাহতাব সরকার (৬২) নামে এক রিকশাচালক বাবার মৃত্যু হয়েছে। রোববার (৫ জুলাই) দিনগত রাতে নওগাঁ শহরের বনানীপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ছেলে সুমন সরকার পলাতক রয়েছেন।


থানা পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, নিহত মাহতাব সরকারের ছেলে সুমন গত কয়েক বছর ধরে মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন। মাদকের টাকার জন্য তিনি প্রায়ই বাড়িতে ঝগড়া ও অশান্তি সৃষ্টি করতেন। সুমনের এই মাদকাসক্তির কারণে টিকতে না পেরে গত এক বছর আগে তাকে ছেড়ে তার স্ত্রী সুমা ঢাকায় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি নিয়ে চলে যান। কয়েকদিন আগে সুমা ঢাকা থেকে বনানীপাড়ার বাড়িতে ফিরলে সুমনের সঙ্গে আবারও ঝগড়া-বিবাদ হয়।

রোববার দিনগত রাত ১২টার দিকে সুমন রাগ করে তার বাবা মাহতাব সরকারের পাশে এসে শুয়ে পড়েন। দীর্ঘ সময় সুমনের ঘুম না আসায় বাবা মাহতাব সরকার পরম স্নেহে দোয়া পড়ে ছেলের মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছিলেন। এতে সুমন আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। একপর্যায়ে তিনি তার বাবার হাত ধরে জোরপূর্বক ঘর থেকে বের করে উঠানে নিয়ে যান। সেখানে কাঠের বাটাম দিয়ে বাবার শরীরে এলোপাতাড়ি আঘাত করার পর ভারি ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করেন। ইটের আঘাতে গুরুতর জখম হয়ে মাহতাব সরকার ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে পরিবারের অন্য সদস্যরা এগিয়ে এলে সুমন দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

খবর পেয়ে আজ সোমবার (৬ জুলাই) সকালে নওগাঁ সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে।

নওগাঁ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই ঘাতক ছেলে সুমন পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের বড় ভাই আফতাব উদ্দিন সরকার বাদী হয়ে নওগাঁ সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬

মায়ের ধর্ষককে গলা কেটে হত্যা করলেন ৪ ছেলে

মায়ের ধর্ষককে গলা কেটে হত্যা করলেন ৪ ছেলে

ময়মনসিংহ নগরীতে মায়ের ধর্ষককে গলা কেটে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। রোববার (৫ জুলাই) সকালে নগরীর ৩৬ বাড়ি কলোনি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল পেয়ে দুপুরে রাজিব আহমেদ ওরফে রুবেল (৪০) নামের এক যুবকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহত রুবেল নগরীর আর কে মিশন রোড এলাকার মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে। তিনি ওই কলোনিতে বাসা ভাড়া নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে থাকতেন। তার বিরুদ্ধে মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নগরীর ৩৬ বাড়ি কলোনির বাসিন্দা ইসমাইল হোসেনের স্ত্রী পারুল আক্তারের ভাড়া বাসায় রুবেলকে নিজ ঘরে গলা কেটে হত্যা করা হয়। ঘটনার সময় হামলাকারীরা বাসার সামনে থাকা রুবেলের চাচাতো ভাই মো. শুভর একটি মোটরসাইকেলেও আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’-এ কল দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিছানার ওপর রুবেলের গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহের মাথার পাশ থেকে একটি মদের বোতলও জব্দ করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ময়মনসিংহ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান শাকিল বলেন, শনিবার (৪ জুলাই) এক নারী ধর্ষণের অভিযোগ এনে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি হন। যত দূর জানতে পেরেছি, ধর্ষণের শিকার ওই নারীর চার ছেলে তাঁকে (ধর্ষক) গলা কেটে হত্যা করেছে।

আসাদুজ্জামান শাকিল বলেন, এ দিন দুপুরে ময়মনসিংহ পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) নজরুল ইসলাম ওই নারী ও তার দুই ছেলেকে হাসপাতাল থেকে নিয়ে গেছেন।

ময়মনসিংহ পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বলেন, বিষয়টি তদন্ত করছি। তদন্ত শেষে বিস্তারিত বলা যাবে।

ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসান বলেন, আমরা কিছু তথ্য পেয়েছি এবং হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচনে কাজ শুরু করেছি। মো. রনি মিয়া (২৭) ও স্বজল (৩৫) নামের দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬

ফুটপাতে ঘুমন্ত নারীকে ধর্ষণ, ভাইরাল ভিডিও ফুটেজ দেখে অভিযুক্ত আটক

ফুটপাতে ঘুমন্ত নারীকে ধর্ষণ, ভাইরাল ভিডিও ফুটেজ দেখে অভিযুক্ত আটক

মিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর বাজার এলাকায় ফুটপাতে ঘুমিয়ে থাকা এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে খোকন (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর জেলাজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে আটক করে সদর দক্ষিণ মডেল থানা পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ জুন ভোরে কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে বিজয়পুর বাজার এলাকায় একটি কনফেকশনারি দোকানের সামনের ফুটপাতে এ ঘটনা ঘটে। তবে গতকাল শনিবার (৪ জুলাই) সিসিটিভি ফুটেজটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি ব্যাপকভাবে আলোচনায় আসে।

ভাইরাল হওয়া সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ভোর ৪টা ৮ মিনিটের দিকে ফুটপাতে ঘুমিয়ে থাকা এক মধ্যবয়সী নারীর কাছে সাদা শার্ট ও লুঙ্গি পরিহিত এক ব্যক্তি এসে তাকে ধর্ষণ করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এর কিছুক্ষণ পর বাজারের একজন পাহারাদার ঘটনাস্থলে এসে ওই নারীকে দেখতে পান। ভিডিও বিশ্লেষণ করে পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তিকে সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর বাজারসংলগ্ন দুর্গাপুর এলাকার বাসিন্দা খোকনকে শনাক্ত করে। স্থানীয়দের দাবি, খোকন এলাকায় একজন চিহ্নিত জুয়াড়ি এবং জুয়া পরিচালনার সঙ্গে জড়িত।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বলেন, ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরপরই পুলিশ তদন্তে নামে এবং দ্রুত অভিযুক্তকে শনাক্ত করে। পরবর্তীতে শনিবার সন্ধ্যায় জেলার বরুড়া উপজেলার ঝলম এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা শেষে আজ রোববার তাকে কুমিল্লার আদালতে পাঠানো হবে।

সহকারী পুলিশ সুপার (সদর দক্ষিণ সার্কেল) মোস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস বলেন, ভুক্তভোগী নারীর পরিচয় শনাক্ত, তার চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬

কালিহাতীতে ইদগাহ মাঠ কমিটির সাধারণ সম্পাদককে হত্যার হুমকি, থানায় অভিযোগ

কালিহাতীতে ইদগাহ মাঠ কমিটির সাধারণ সম্পাদককে হত্যার হুমকি, থানায় অভিযোগ

সাইদুর রহমান সমীর,টাঙ্গাইলপ্রতিনিধি:
টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার আটাবাড়ী ইউনিয়নের আটাবাড়ী কেন্দ্রীয় ইদগাহ মাঠ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর হোসেনকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনি কালিহাতী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আটাবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা ও সাবেক ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি, বর্তমানে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক পদে থাকা আব্দুস সাত্তার দীর্ঘদিন ধরে আটাবাড়ী কেন্দ্রীয় ইদগাহ মাঠ জোরপূর্বক দখল করে ভোগদখল করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উদ্যোগে ইদগাহ মাঠের দায়িত্ব একটি কমিটির কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং মো. আলমগীর হোসেনকে কমিটির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
লিখিত অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ৪ জুলাই সকাল প্রায় ৯টার দিকে ইদগাহ মাঠে কমিটির সদস্যরা কাজ করার সময় অভিযুক্ত আব্দুস সাত্তার সেখানে গিয়ে আলমগীর হোসেনকে গালিগালাজ করেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন। এমনকি সুযোগ পেলে হত্যা করা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নিজের ও কমিটির সদস্যদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে আবেদন জানিয়েছেন ভুক্তভোগী।
তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত আব্দুস সাত্তারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।