চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার ভাংবাড়িয়া গ্রামে দিয়াশলাই কাঠির বারুদ দিয়ে পটকা ফোটাতে গিয়ে বিস্ফোরণের ঘটনায় তিন শিশু আহত হয়েছে। এর মধ্যে গুরুতর আহত এক শিশুকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
রোববার (৮ মার্চ) সকালে উপজেলার ভাংবাড়িয়া গ্রামের একটি মসজিদের ছাদে এ ঘটনা ঘটে।
আহত তিন শিশু হলো,ভাংবাড়িয়া গ্রামের মিলপাড়ার জাকিরুল হোসেনের ছেলে রনক হোসেন (১২), উজ্জ্বল হোসেনের ছেলে হুসাইন (৯) এবং আহম্মদ আলীর ছেলে আল-আমিন মিয়া (৯)। তারা সবাই স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মোহা. আসমোতুল্লাহ জানান, সকালে কয়েকজন শিশু মসজিদের ছাদে উঠে দিয়াশলাই কাঠির বারুদ সংগ্রহ করে লোহার তৈরি একটি বস্তুতে ভরে পটকা ফোটানোর চেষ্টা করছিল। এ সময় হঠাৎ বিকট শব্দে সেটি বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরণে রনক হোসেন গুরুতর আহত হয়। তার ডান হাতের পাঁচটি আঙুল মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অন্য দুই শিশু সামান্য আহত হলে তারা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে ফিরে যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা রক্তাক্ত অবস্থায় রনককে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ইসরাত জেরিন জেসি জানান, বিস্ফোরণে রনকের বাম হাতের পাঁচটি আঙুল ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে। হাতের কব্জিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানী ইসরাইল জানান, শিশুরা দিয়াশলাইয়ের কাঠি সাইকেলের স্পোকের মধ্যে ঢুকিয়ে পটকা ফোটানোর চেষ্টা করছিল। অসাবধানতাবশত সেটি বিস্ফোরিত হলে এক শিশু গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে সদর হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

