
ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর পল্লবীতে যুবদল নেতা গোলাম কিবরিয়া হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে ছিল এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও ব্যবসার ভাগ-বাঁটোয়ারা নিয়ে বিরোধ। এই হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নেওয়া দুই শুটারকে গ্রেপ্তারের পর আজ শুক্রবার (২৭ মার্চ) এ তথ্য জানিয়েছে র্যাব।
সকালে মিরপুরে র্যাব-৪-এর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শাহাবুদ্দিন কবির। বলেন, মিরপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী মশিউর রহমান ওরফে মশির ঝুট ব্যবসা, হাউজিং ও গার্মেন্টসসহ বিভিন্ন খাতের ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কিবরিয়ার সঙ্গে বিরোধ তৈরি হয়েছিল। সম্প্রতি কিবরিয়া এলাকায় জনপ্রিয় নেতা হয়ে ওঠায় মশির অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে বিঘ্ন ঘটছিল।
র্যাব জানায়, গত ১৭ নভেম্বর পল্লবীর একটি হার্ডওয়্যারের দোকানে অবস্থানকালে সন্ত্রাসী মশির নির্দেশেই কিবরিয়াকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালানো হয়। হত্যার পর পালিয়ে যাওয়ার সময় জনি নামে একজনকে আগেই আটক করা হয়েছিল। পরবর্তীতে সীমান্ত পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হওয়া দুই শুটার লোপন ওরফে রোকন এবং কাল্লু ওরফে জাহাঙ্গীরকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।
গ্রেপ্তার হওয়া আসামি লোপনের বাসা থেকে একটি বিদেশি রিভলবার ও তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব কর্মকর্তা শাহাবুদ্দিন কবির জানান, গ্রেপ্তার হওয়া দু’জনের বিরুদ্ধেই বিভিন্ন থানায় চাঁদাবাজি, হত্যা ও মাদক মামলা রয়েছে। এই কিলিং মিশনের মাস্টারমাইন্ডসহ বাকি জড়িতদের ধরতেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
শেয়ার করুন
