নিষিদ্ধ চায়না জালের দখলে আমাদের বিল, এখনই সচেতন হওয়ার সময় : কাউসার আহমেদ
TangailNews24.com ডেস্ক
আমাদের কাছে সখীপুর উপজেলার বেতুয়া গ্রামের সন্তান এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী কাউসার আহমেদ একটি সচেতনতামূলক লেখা পাঠিয়েছেন। জনস্বার্থে এবং পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্ব বিবেচনায় তাঁর লেখার মূল বক্তব্য আমরা পাঠকদের সামনে তুলে ধরছি।
এক সময় আমাদের এলাকার বিল ছিল দেশীয় মাছের নিরাপদ আশ্রয়স্থল। বর্ষা এলেই ছোট-বড় নানা প্রজাতির মাছ অবাধে বিচরণ করত। কিন্তু বর্তমানে অনেক স্থানে নিষিদ্ধ চায়না জালের ব্যবহার নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।
চায়না জালের ব্যবহারের ফলে ছোট মাছ, মাছের পোনা এবং মাছের ডিম পর্যন্ত আটকা পড়ে। এতে মাছের স্বাভাবিক প্রজনন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি জলজ জীববৈচিত্র্যও হুমকির মুখে পড়তে পারে। স্বল্পমেয়াদে কিছু মানুষের লাভ হলেও দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতির মুখে পড়তে পারে আমাদের জলাশয়, দেশীয় মৎস্যসম্পদ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম।
আমরা মাছ ধরা বা জেলেদের জীবিকার বিরুদ্ধে নই। তবে পরিবেশ ও দেশীয় মৎস্যসম্পদ ধ্বংস করে এমন অবৈধ ও ক্ষতিকর পদ্ধতির ব্যবহার কোনোভাবেই কাম্য নয়।
আমাদের বিশ্বাস, আইন যথাযথভাবে প্রয়োগ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত তদারকি এবং সর্বোপরি স্থানীয় মানুষের সচেতন অংশগ্রহণের মাধ্যমে এ ধরনের সমস্যা অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
TangailNews24.com মনে করে, প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব। তাই সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের প্রতিও আহ্বান, আমাদের বিল, নদী ও দেশীয় মাছের অস্তিত্ব রক্ষায় সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন হই।
প্রকৃতি বাঁচলে মাছ বাঁচবে, মাছ বাঁচলে বাঁচবে আমাদের ভবিষ্যৎ।

0 Comments:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন