নিহত ওই গ্রামের মৃত কিতাব আলীর ছেলে খোরশেদ মিয়া (৬০)।
নিহতের স্ত্রী হাছনা বেগম বলেন, সকালে সেদ্ধ ধান শোকানোর জন্য বাড়ির পাশেই এক ভাতিজার নির্মাণাধীন দু,তলা ভবনে যায় খোরশেদ। বৃষ্টির পানি জমে থাকায় সে ছাদে জমে থাকা পানি সরাতে থাকে। এসময় পানি গড়িয়ে নিচে পড়তে থাকে। পরে পানি পড়াকে কেন্দ্র করে তার ছোট ভাই মো. রোমেজ মিয়া ওরফে রোমে তার সাথে বাকবিতণ্ডায় জড়ায়। বাকবিতণ্ডা শেষে রোমে ওইস্থান থেকে সরে গিয়ে কিছুক্ষণ পর কোদাল নিয়ে এসে অতর্কিতভাবে তার বুকের ওপর আঘাত করলে সে গুরুতর আহত হয়। সেখান থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। প্রসঙ্গত, নির্মাণাধীন ওই ভবনের নিচতলার একটি কক্ষে অভিযুক্ত খুনি রোমেজের ধানের বস্তা ছিলো।
নিহতের স্ত্রী হাছনা বেগম, ছেলে হাসানসহ স্থানীয়রা দ্রুত অভিযুক্তকে আটক করে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করেন।
এ বিষয়ে মির্জাপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাসেল আহমেদ বলেন, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশের সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত পলাতক রয়েছ। তাকে আটক করতে পুলিশ অভিযান পরিচালনা করছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন।
