INFO Breaking
Live
wb_sunny

Breaking News

মধ্য রমজানে  টাঙ্গাইলের বাজারে  ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির পাশাপাশি জিরা, কিসমিসসহ বিভিন্ন মসলার দাম বেড়েছে।

মধ্য রমজানে টাঙ্গাইলের বাজারে ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির পাশাপাশি জিরা, কিসমিসসহ বিভিন্ন মসলার দাম বেড়েছে।

 



রমজানের মাঝামাঝি সময়ে টাঙ্গাইলের বাজারে কিছু নিত্যপণ্যের দামে স্বস্তি মিললেও কয়েকটি পণ্যের দাম বেড়েছে। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, লেবু, শসা ও পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমেছে। তবে ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির পাশাপাশি বিভিন্ন মসলার দাম বেড়েছে। আজ রবিবার (৮ মার্চ) টাঙ্গাইল শহরের বিভিন্ন বাজারে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজারে মাছ, সবজি ও গরুর মাংসের দাম প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে মানভেদে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭৫০ থেকে ৮২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি প্রায় ১০ টাকা কমে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা মরিচের দামও কেজিপ্রতি প্রায় ২০ টাকা কমে বর্তমানে ১২০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রোজার শুরুতে লেবু ও শসার চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দাম বেশ চড়া ছিল। সে সময় মানভেদে প্রতি হালি লেবু ৬০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। বর্তমানে লেবুর দাম কিছুটা কমে ৪০ থেকে ৭০ টাকায় নেমেছে। একইভাবে শসার দামও কেজিপ্রতি ৫ থেকে ১০ টাকা কমেছে।

তবে রোজার মাঝামাঝি সময়ে এসে বেড়েছে মুরগির দাম। বর্তমানে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৯০ থেকে ২১০ টাকায় এবং সোনালি মুরগি ৩০০ থেকে ৩৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, পাইকারি বাজারে দাম বাড়ার কারণেই খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়েছে।

এদিকে চিনি ও সুগন্ধি চালের দাম কিছুটা বেড়েছে। প্রতি কেজি চিনি বর্তমানে ১০০ থেকে ১০৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি আলুবোখারা, জিরা, কিসমিস ও বিভিন্ন ধরনের বাদামের দামও কেজিপ্রতি ৪০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

অন্যদিকে কয়েক দিন ধরে বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ কমে যাওয়ার অভিযোগ করেছেন ক্রেতা ও বিক্রেতারা। অনেক দোকানে এক ও দুই লিটারের বোতল পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন তারা। বিক্রেতাদের দাবি, ডিলারদের কাছ থেকে চাহিদার তুলনায় অনেক কম তেল সরবরাহ করা হচ্ছে।

⚡ সীমিত আসন — ভর্তি চলছে LifeX Technology • সখীপুর