দুই নেতাকে মারধরের ঘটনা ‘পারিবারিক ব্যাপার’ বললেন বদি



দুই নেতাকে মারধরের ঘটনা ‘পারিবারিক ব্যাপার’ বললেন বদি

কক্সবাজারের টেকনাফ পৌর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় দুই নেতাকে মারধরের ঘটনাটি পারিবারিক ব্যাপার বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি। শনিবার (২৩ এপ্রিল) তিনি গণমাধ্যমকে এ কথা বলেন।


আবদুর রহমান বদি বলেন, আওয়ামী লীগের কোনো নেতাকে মারধর করিনি। যাদের মারধরের কথা বলা হচ্ছে, তারা (ইউছুপ মনু ও ইউছুপ ভূট্টো) আমার আপন মামাতো ভাই ও মামাতো ভগ্নীপতি।  টেকনাফ পৌর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় জেলা কমিটির নেতাদের সামনে তারা (মারধরের শিকার ব্যক্তি) অশোভন আচরণ করেছে। এতে সাবেক সংসদ সদস্য হিসেবে আমার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে। এ কারণে রক্তের আত্মীয় হিসেবে আমার ভাই ও ভগ্নীপতিকে শাসন করেছি।

সাবেক সাংসদ ও জেলা আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, আওয়ামী লীগের টেকনাফ পৌর কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে অন্তত আড়াই বছর আগে। মাত্র দুইটি ছাড়া অন্যসব ওয়ার্ডের সম্মেলন ও কাউন্সিলও সম্পন্ন করতে পারেনি পৌর কমিটি। ওয়ার্ড কমিটির নেতারা পৌর কমিটির সম্মেলন ও কাউন্সিল আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন বর্ধিত সভায়। পৌর কমিটির নেতারা ওয়ার্ড কমিটির নেতাদের মতামতকে অগ্রাহ্য করে আসছিল।


উল্লেখ্য, গত ২২ এপ্রিল বিকেলে অনুষ্ঠিত টেকনাফ পৌর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদি ও তার ভাইসহ সমর্থকদের হাতে দুই নেতা মারধরের শিকার হওয়ার কয়েকটি ভিডিও চিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় নেট দুনিয়াসহ সর্বমহলে বইছে আলোচনার ঝড়।


মারধরের শিকার ব্যক্তিরা হলেন, টেকনাফ পৌর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ইউছুপ মনু ও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ইউছুপ ভূট্টো। বদির সঙ্গে আত্মীয়তার সম্পর্কে এদের মধ্যে ইউছুপ মনু মামাতো ভাই এবং ইউছুপ ভূট্টো মামাতো বোনের স্বামী।

ভুক্তভোগী ইউছুপ মনু বলেন, বর্ধিত সভা চলাকালীন সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদি কমিটির নেতাকর্মীদের মতামতকে অগ্রাহ্য করে ওয়ার্ড কমিটির নেতাদের মতামত প্রাধান্য দেন। সেখানে আমি তার বক্তব্যের প্রতিবাদ করায় বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়।   এক পর্যায়ে বদি মঞ্চ থেকে নেমে তার বাহিনীকে ডেকে এনে আমাকে কিল-ঘুষি মারতে থাকেন। এ সময় আমাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে যুগ্ম সম্পাদক ইউছুফ ভুট্টোকেও বেধড়ক মারপিট করেন।


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন মিলে একজনকে কিলঘুষি ও লাথি মারছেন। সেখানে আবদুর রহমানকেও দেখা গেছে।

buttons=(Accept !) days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Learn More
Accept !
To Top